৬ লাখে বিক্রি হলো ‘নেতানিয়াহু’ ডোনাল্ড ট্রাম্প সাড়ে...See more
৬ লাখে বিক্রি হলো ‘নেতানিয়াহু’ ডোনাল্ড ট্রাম্প সাড়ে.
..
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জের বন্দর এলাকার ‘এসএস ক্যাটেল’ নামক একটি খামারে লালন-পালন করা বিশালাকৃতির এলবিনো জাতের একটি মহিষের নাম রাখা হয়েছিল ‘নেতানিয়াহু’। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গরুটি ভাইরাল হওয়ার পর সেটিকে এক নজর দেখতে খামারে ভিড় জমায় হাজারো মানুষ। শেষ পর্যন্ত গত শুক্রবার ঢাকার এক ব্যবসায়ী সাড়ে ৬ লাখ টাকা দিয়ে ‘নেতানিয়াহু’কে কিনে নেন।
অন্যদিকে, পাইকপাড়া এলাকার ‘রাবেয়া এগ্রো ফার্মের আকর্ষণ ছিল ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ নামের আরেকটি গোলাপি রংয়ের মহিষ। সেটি খামারে আসা ক্রেতাদের নজর কাড়তে সক্ষম হয়। অবশেষে সাড়ে ৩ লাখ টাকায় ঢাকার আরেক ব্যবসায়ী ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’কে কিনে নিয়েছেন।
ব্যতিক্রমী এ বিপণন কৌশল নিয়ে খামারিরা জানান, প্রতি বছরই কুরবানির বাজারে ক্রেতাদের বাড়তি আকর্ষণ থাকে বড় এবং ভিন্নধর্মী পশুর প্রতি। গত বছর হলিউড, বলিউড ও ঢালিউডের নায়কদের নামে পশুগুলোর নামকরণ করায় বিক্রি খুব ভালো হয়েছে। এবার বিশ্ব নেতাদের নামে নামকরণ করায় সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে। ভাইরাল হওয়ার কারণে দূর-দূরান্ত থেকে ক্রেতারা এসে খামার থেকেই পশু কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। ঈদের আগেভাগে খামারের সব পশু ভালো দামে বিক্রি করতে পেরে খুশি খামারি ও কর্মচারীরা।
এলাকার এস এস ক্যাটেল ফার্মের ম্যানেজার মেহেদী হাসান জানান, তার খামারে গরু, মহিষ, ছাগল ও গাড়ল মিলিয়ে প্রায় আড়াইশ পশু কুরবানির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছিল। ইতোমধ্যে বিক্রি হয়ে গেছে খামারের প্রায় ৯০ শতাংশ পশু। অনেকের বাড়িতে পশু রাখার জায়গা না থাকায় তারা টাকা পরিশোধ করে খামারেই পশু রেখে গেছেন। ঈদের আগেরদিন নিয়ে যাবেন।
বন্দর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. একেএম আহসান উল্লাহ বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সঠিক ব্যবহার এবং অভিনব প্রচারণার কারণে খামারিরা এবার হাটে যাওয়ার ঝামেলা ছাড়াই সরাসরি খামার থেকে ভালো মূল্যে পশু বিক্রি করতে পারছেন, যা স্থানীয় ডেইরি খাতের জন্য একটি ইতিবাচক দিক।
এলাকার এস এস ক্যাটেল ফার্মের ম্যানেজার মেহেদী হাসান জানান, তার খামারে গরু, মহিষ, ছাগল ও গাড়ল মিলিয়ে প্রায় আড়াইশ পশু কুরবানির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছিল। ইতোমধ্যে বিক্রি হয়ে গেছে খামারের প্রায় ৯০ শতাংশ পশু। অনেকের বাড়িতে পশু রাখার জায়গা না থাকায় তারা টাকা পরিশোধ করে খামারেই পশু রেখে গেছেন। ঈদের আগেরদিন নিয়ে যাবেন।
বন্দর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. একেএম আহসান উল্লাহ বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সঠিক ব্যবহার এবং অভিনব প্রচারণার কারণে খামারিরা এবার হাটে যাওয়ার ঝামেলা ছাড়াই সরাসরি খামার থেকে ভালো মূল্যে পশু বিক্রি করতে পারছেন, যা স্থানীয় ডেইরি খাতের জন্য একটি ইতিবাচক দিক।
🎁 Your Special Offer is Loading...
Please wait a moment. You'll be redirected automatically after the countdown.
⏳ Stay here — your offer will open in a new page.
✅ Redirect happens only once per session.

Comments
Post a Comment