জ্বালানি তেলের দামে আবারও বড় লাফ, নতুন দাম দেখে নিন…see more
বিশ্ববাজারে আরও বাড়ল তেলের দাম
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান কূটনৈতিক সংকট যেন কিছুতেই কাটছে না। দুই দেশের মধ্যকার আলোচনায় অচলাবস্থার সৃষ্টি হওয়ায় বিশ্ববাজারে এর সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। জ্বালানি তেলের দাম ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাজারে এই উত্তাপ এখন অনেকটা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
মঙ্গলবার(২৮ এপ্রিল) বাংলাদেশ সকাল সময় ৯টায় আন্তর্জাতিক বাজারে জুন মাসে সরবরাহযোগ্য ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচারের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রতি ব্যারেল ১০৯ দশমিক ৩০ ডলারে। এর আগে এই তেলের দাম টানা সাত কার্যদিবস ধরে ঊর্ধ্বমুখী ছিল। যা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে এক ধরনের উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।
একইভাবে জুন মাসে সরবরাহের জন্য মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট ক্রুডের দামও বেড়েছে। গতকাল ৫৮ সেন্ট বা দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ৯৬ দশমিক ৯৬ ডলারে পৌঁছেছিল যা আজ ৯৭ দশমিক ৩১ ডলারে পৌঁছেছে। আগের দিনগুলোতেও এই তেলের দাম ২ শতাংশেরও বেশি হারে বৃদ্ধি পেয়েছিল
ইরানের সঙ্গে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি আলোচনা এবং পারমাণবিক ইস্যুতে যে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে, তা সমাধানের কোনো স্পষ্ট লক্ষণ এখনো দেখা যাচ্ছে না। কূটনৈতিক এই স্থবিরতার কারণে সরবরাহ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা। যার ফলে তেলের বাজারে অস্থিরতা বাড়ছে।
এদিকে হোয়াইট হাউস তাদের অবস্থান স্পষ্ট করে জানিয়েছে, তারা মিডিয়ার মাধ্যমে ইরানের সঙ্গে কোনো ধরনের দরকষাকষিতে আগ্রহী নয়। বিষয়টি নিয়ে মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে বেশ কড়া বিবৃতি দেওয়া হয়েছে।
হোয়াইট হাউসের সহকারী প্রেস সেক্রেটারি অলিভিয়া ওয়েলস সিবিএস নিউজের মাধ্যমে এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, এগুলো অত্যন্ত সংবেদনশীল কূটনৈতিক বিষয়। যুক্তরাষ্ট্র সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কোনো ধরনের গোপন দরকষাকষিতে জড়াতে চায় না। ফলে আলোচনার পথ এখন অনেকটাই রুদ্ধ।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অবস্থান এখানে অত্যন্ত কঠোর ও সুস্পষ্ট। ওয়াশিংটন এই আলোচনার চাবিকাঠি নিজেদের হাতেই রেখেছে। আমেরিকার জাতীয় স্বার্থকে সবার উপরে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
ইরান যাতে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে, তা নিশ্চিত করাই মার্কিন প্রশাসনের মূল লক্ষ্য। এই লক্ষ্য পূরণ না হওয়া পর্যন্ত কোনো চুক্তিতে পৌঁছানোর সম্ভাবনা ক্ষীণ।
জ্বালানি তেলের এই অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির কারণে বিশ্ব অর্থনীতি বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়েছে। তেলের দাম বাড়লে পরিবহন ও পণ্যমূল্যের ওপর এর সরাসরি প্রভাব পড়ে। এতে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যায়। বাজার বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান দ্রুত কোনো সমঝোতায় না পৌঁছাতে পারলে এই সংকট আরও দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে
🎁 Your Special Offer is Loading...
Please wait a moment. You'll be redirected automatically after the countdown.
⏳ Stay here — your offer will open in a new page.
✅ Redirect happens only once per session.

Comments
Post a Comment