ইরানের জন্য বড় দুঃসংবাদ...see more
ভারত মহাসাগরে শ্রীলঙ্কা উপকূলের কাছে মার্কিন সাবমেরিনের টর্পেডো হামলায় ইরানি নৌবাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধজাহাজ 'আইরিস দেনা' সম্পূর্ণ নিমজ্জিত হয়েছে। ভারত থেকে নৌমহড়া সেরে ফেরার পথে এই ভয়াবহ হামলার শিকার হয় জাহাজটি। রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই আক্রমণে অন্তত ৮০ জন ইরানি নাবিক নিহত হয়েছেন। মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ হামলার সত্যতা স্বীকার করে একে ইরানের বিরুদ্ধে আমেরিকার সামরিক সক্ষমতার এক বিরাট প্রদর্শন হিসেবে অভিহিত করেছেন। পেন্টাগন ইতোমধ্যে সাবমেরিনের পেরিস্কোপ থেকে ধারণ করা হামলার একটি সাদাকালো ভিডিও প্রকাশ করেছে, যা আধুনিক যুদ্ধকৌশলে অত্যন্ত বিরল।
শ্রীলঙ্কা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা এ পর্যন্ত ৩২ জন ক্রুকে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হলেও ১৪৮ জন নাবিক এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। উদ্ধারকাজের বর্তমান পরিস্থিতিতে তাদের বেঁচে থাকার আশা ক্ষীণ হয়ে আসছে। পেন্টাগনের ঘোষণা অনুযায়ী, চলমান যুদ্ধের অন্যতম লক্ষ্য হলো ইরানের নৌবাহিনীকে সমূলে ধ্বংস করা। উল্লেখ্য, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর মার্কিন কোনো সাবমেরিন কর্তৃক শত্রুপক্ষের জাহাজ ডুবিয়ে দেওয়ার এটিই প্রথম নজির।
শ্রীলঙ্কা উপকূলের কাছে আন্তর্জাতিক জলসীমায় অবস্থানরত ইরানি যুদ্ধজাহাজটিকে কোনো পূর্ব সতর্কবার্তা ছাড়াই মার্কিন সাবমেরিন টর্পেডো ছুড়ে ডুবিয়ে দেয়। জাহাজে থাকা নাবিকদের মধ্যে ৮০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেলেও নিখোঁজ ১৪৮ জনের ভাগ্যে কী ঘটেছে তা নিয়ে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
হামলার রিয়েল-টাইম সাদাকালো ভিডিও প্রকাশ করে আমেরিকা তাদের গোয়েন্দা ও সামরিক শ্রেষ্ঠত্বের জানান দিয়েছে, যা শত্রু শিবিরের মনোবল ভাঙার কৌশল হিসেবে দেখা হচ্ছে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের দীর্ঘ কয়েক দশক পর এই প্রথম কোনো মার্কিন সাবমেরিন সরাসরি কমব্যাট অপারেশনে অংশ নিয়ে কোনো দেশের যুদ্ধজাহাজ ধ্বংস করল। পেন্টাগনের ভাষ্যমতে, সাগরে ইরানের প্রভাব চিরতরে মুছে দিতে এবং তাদের সরবরাহ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন করতেই এই নৌ-আক্রমণ চালানো হয়েছে।
🎁 Your Special Offer is Loading...
Please wait a moment. You'll be redirected automatically after the countdown.
⏳ Stay here — your offer will open in a new page.
✅ Redirect happens only once per session.

Comments
Post a Comment